ন্যাশনাল বায়োফাউন্ড্রি নেটওয়ার্কের সূচনা
কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং ২৭শে আগস্ট, ২০২৫ তারিখে ভারতের প্রথম ন্যাশনাল বায়োফাউন্ড্রি নেটওয়ার্কের উদ্বোধন করেছেন। এই নেটওয়ার্কটি ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে গঠিত, যার লক্ষ্য হল প্রুফ-অফ-কনসেপ্ট ডেভেলপমেন্টের গতি বৃদ্ধি করা, দেশীয় জৈব-উৎপাদন বৃদ্ধি করা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা। মন্ত্রী জানান যে, ২০১৪ সালে ভারতের জৈব-অর্থনীতি যেখানে মাত্র $১০ বিলিয়ন ছিল, ২০২৪ সালে তা $১৬৫.৭ বিলিয়নে উন্নীত হয়েছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে $৩০০ বিলিয়ন অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি তরুণ ভারতীয়দের BioE3 চ্যালেঞ্জে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে উৎসাহিত করেছেন, যা নিরাপদ ও টেকসই জৈব-প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য ধারণা আহ্বান করে।
নীতি আয়োগ এবং ফাস্ট ইন্ডিয়ার সহযোগিতা
২৮শে আগস্ট, ২০২৫ তারিখে নীতি আয়োগ (NITI Aayog) ভারতের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নীতি গবেষণা এবং কৌশলগত চিন্তাভাবনা জোরদার করার লক্ষ্যে ফাউন্ডেশন ফর অ্যাডভান্সিং সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ইন্ডিয়া (FAST India)-এর সাথে একটি সমঝোতা স্মারক (SOI) স্বাক্ষর করেছে। এই অংশীদারিত্বের উদ্দেশ্য হল ফাস্ট ইন্ডিয়ার প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং গবেষণা সক্ষমতাকে নীতি আয়োগের প্রাতিষ্ঠানিক অগ্রাধিকার এবং দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গির সাথে একত্রিত করা। এই চুক্তির অধীনে, উভয় সংস্থা উদীয়মান চ্যালেঞ্জ এবং এই খাতের পদ্ধতিগত সমস্যা সমাধানের জন্য অন্তর্দৃষ্টি ও সুপারিশগুলি যৌথভাবে তৈরি করবে।
অগ্নি-৫ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা
ভারত ২০শে আগস্ট, ২০২৫ তারিখে সফলভাবে তার ইন্টারমিডিয়েট-রেঞ্জ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি-৫ এর পরীক্ষা চালিয়েছে। ওড়িশার উপকূলবর্তী একটি পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়। 'অগ্নি' যার অর্থ 'আগুন', এটি ১৭.৫ মিটার লম্বা, প্রায় ৫০,০০০ কেজি ওজনের এবং ১,০০০ কেজির বেশি পারমাণবিক বা প্রচলিত পেলোড বহন করতে সক্ষম। এটি ঘণ্টায় প্রায় ৩০,০০০ কিলোমিটার বেগে ৫,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ অতিক্রম করতে পারে, যা এটিকে বিশ্বের দ্রুততম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলির মধ্যে একটি করে তুলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরীক্ষাটি মূলত চীনের উদ্দেশ্যে একটি বার্তা। এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লায় প্রায় পুরো এশিয়া, চীনের উত্তরাঞ্চল এবং ইউরোপের কিছু অংশ চলে আসে।
প্রাচীন দক্ষিণ ভারতীয় মুখের ডিজিটাল পুনর্গঠন
তামিলনাড়ুর বিজ্ঞানীরা কীলদি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের কাছে পাওয়া প্রায় ২,৫০০ বছরের পুরনো দুটি পুরুষের মুখের ডিজিটাল পুনর্গঠন করেছেন। এই পুনর্গঠনগুলি আঞ্চলিক এবং মধ্যপ্রাচ্যের ইউরেশীয় বংশোদ্ভূত শারীরিক বৈশিষ্ট্যগুলি প্রকাশ করে। এই প্রকল্পটি প্রাচীন দক্ষিণ ভারতের জনসংখ্যার প্রাথমিক উৎস এবং অভিবাসন ধরণগুলি অধ্যয়নের চলমান প্রচেষ্টার অংশ।