ন্যাটো-রাশিয়া উত্তেজনা: পোল্যান্ডের আকাশসীমায় ড্রোন ভূপাতিত
ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার সময় পোল্যান্ডের আকাশসীমায় একাধিক রুশ ড্রোন প্রবেশ করলে ন্যাটো জোটের (পোলিশ এবং ডাচ) যুদ্ধবিমান সেগুলোকে ভূপাতিত করে। ইউক্রেন যুদ্ধের তিন বছরেরও বেশি সময় পর এই প্রথম ন্যাটো সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ নিল। পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাস্ক এই ঘটনাকে 'আগ্রাসন' বলে অভিহিত করেছেন। এই ঘটনায় ওয়ারশ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ তিনটি বিমানবন্দর কয়েক ঘণ্টার জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। রুশ ড্রোনগুলো মিত্র বেলারুশ থেকে এসেছিল বলে পোল্যান্ড দাবি করেছে, যদিও মস্কো পোল্যান্ডের এই দাবিকে 'ভিত্তিহীন' বলেছে। একই দিনে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে রাশিয়ার একটি গ্লাইড বোমা হামলায় ২৪ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ১৯ জন আহত হয়েছেন। সামরিক বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তুলেছেন যে, রাশিয়া ন্যাটো'র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরীক্ষা করছে কিনা। [১, ৭, ১০, ১১]
কাতারে ইসরায়েলি হামলা ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
ইসরায়েল কাতারের দোহায় হামাস নেতাদের লক্ষ্য করে একটি বিমান হামলা চালিয়েছে। হামাসের দাবি, তাদের শীর্ষস্থানীয় নেতারা অক্ষত থাকলেও, এই হামলায় ছয়জন নিহত হয়েছেন। কাতার এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং এটিকে তাদের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে। বাংলাদেশ সরকারও কাতারে ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে, যা সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মনে করা হচ্ছে। [১, ৪, ৮, ১৮] স্পেনের দুই ইসরায়েলি মন্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। [১৩] মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও দোহায় ইসরায়েলের এই হামলায় 'খুশি নন' বলে জানিয়েছেন। [১, ২২] বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই হামলা শান্তি প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে পারে। [১]
নেপালে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ
নেপালে ব্যাপক যুব-নেতৃত্বাধীন দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভের মুখে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি পদত্যাগ করেছেন। বিক্ষোভকারীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা এবং ব্যাপক দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির প্রতিবাদ জানাচ্ছিল। [১৪, ২৭] বিক্ষোভ সহিংস রূপ ধারণ করায় ১৯ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং কাঠমান্ডুর রাস্তায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। [২, ২৭] সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগদেল সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন। [২৭] বিক্ষোভের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। [১২, ১৪]
যুক্তরাষ্ট্রে ডানপন্থী রাজনৈতিক কর্মী চার্লি কার্কের হত্যাকাণ্ড
যুক্তরাষ্ট্রের উটাহ রাজ্যে একটি অনুষ্ঠানে ডানপন্থী রাজনৈতিক কর্মী ও ভাষ্যকার চার্লি কার্ককে (৩১) গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। উটাহর গভর্নর স্পেন্সার কক্স এই ঘটনাকে 'রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড' বলে অভিহিত করেছেন। [১৫] সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ গুলির শব্দ হয় এবং কার্ক চেয়ারে লুটিয়ে পড়েন। [১৫] ট্রাম্প এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং চার্লি কার্কের স্মরণে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। [১৫] এটি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক সহিংসতার বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। [১৫]